Tuesday, July 14, 2026

নব্বই দশকের মতো ভালোবাসা

 


তোমাকে নিয়ে ছোট্ট একটা হালাল সংসার সাজানোর স্বপ্ন- 
বহুদিন ধরে বুকের ভেতর লুকিয়ে রেখেছি।
একদম সেই নব্বই দশকের গল্পের মতো।
যেখানে ভালোবাসা মানেই ছিলো, 
অল্পতেই "আলহামদুলিল্লাহ" বলা
আর একজন মানুষকে ঘিরেই পুরো পৃথিবী বানিয়ে ফেলা। 

তোমাকে পাওয়া হয়ে গেলে,
আমার বড় কোন আর স্বপ্ন থাকবে না।
তোমাকে নিয়ে দূরে কোথাও হারিয়ে যেতে চাই, 
সব কোলাহল, ব্যস্ততা আর ইটপাথরের শহর ছেড়ে,
ছোট্ট শান্ত কোন গ্রামে।

যেখানে তোমাকে নিয়ে বাঁধবো ছোট্ট একটি কুঁড়েঘর—
মাটির দেয়াল, খড়ের ছাউনি,
আর দরজার সামনে বাঁশের তৈরি ছোট্ট বারান্দা।
দূরের মসজিদ থেকে আজান ভেসে আসবে, 
আর তুমি মাথায় কাপর তুলে
মুচকি হেসে আমার দিকে তাকাবে। 

আমাদের ঘরে বিদ্যুৎ থাকবে না—
জোছনার আলোই হবে রাতের প্রদীপ।
পূর্ণিমা এলে জোছনার আলোয় ভেসে যাবে উঠোন,
আর অন্ধকার রাতগুলো কেটে যাবে—
হারিকেনের হলুদ আলোকে সঙ্গী করে।

আমি তোমার পাশে বসে কুরআনের আয়াত শোনাবো,
আর তুমি মুগ্ধ হয়ে শুনবে।
মাটির দেয়ালে আঙুল দিয়ে লিখে রাখবো তোমার নাম,
তার পাশেই আঁকবো ছোট্ট একটা হৃদয়।

বাড়ির পাশে থাকবে ছোট্ট একটা ফুলবাগান—
শিউলি, রজনীগন্ধা, গন্ধরাজ আর গোলাপে ভরা।
ভোরবেলা শিশির জমবে ফুলের পাপড়িতে,
আর ফুলের ঘ্রাণে ভরে যাবে আমাদের ছোট্ট উঠোন।  

ফজরের আজানে ঘুম ভাঙবে, 
আধোঘুম চোখে তুমি বলবে- 
"এই... উঠো, নামাজের সময় হয়েছে।" 
আমি তোমার হাতটা আলতো করে ধরে বলব- 
"আরেকটু থাকো না পাশে..." 
তুমি লজ্জামাখা হাসিতে বলবে- 
"না... আগে নামাজ, তারপর তোমার সব আদর।" 

নামাজ শেষে...
তুমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ভেজা চুল শুকাবে, 
আর আমি মুগ্ধ হয়ে শুধু তোমাকেই দেখবো। 
তখন তুমি এককাপ ধোঁয়া ওঠা চা এগিয়ে দিয়ে—
মুচকি হেঁসে জিজ্ঞেস করবে,
"এভাবে কী দেখো?" 
আমি তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলবো—
"দেখি... আল্লাহ্‌ আমার দোয়াটা কত সুন্দর করে কবুল করেছেন।"  

এভাবেই হয়তো সময় থেমে যাবে— চুলে পাক ধরবে। 
কোনো বিলাসিতা ছাড়া।
কোনো অভাবের অভিযোগ ছাড়া।
শুধু দু’জন মানুষের গভীর ভালোবাসায় ভরা—
একটা শান্ত, নরম, মায়াময় জীবনের। 

তখন মনে হবে,
এই ছোট্ট কুঁড়েঘরটাই বুঝি—
পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শান্ত জান্নাত।

Thursday, July 2, 2026

একজন ভালো মানুষ হবেন?

 


একমুঠো বিশ্বাস জমা রাখতে চাই, একজন ভালো মানুষ হবেন?
অভিমানগুলো রেখে দেবো নির্ভয়ে, একটু আপন হবেন?
ভরসার থলে তুলে দেবো আপনার হাতে, আস্থাশীল মানুষ হবেন?
নীরবতাগুলো খুলে বলবো, মনোযোগী শ্রোতা হবেন?
একবুক ভালোবাসা নিংড়ে দেবো, একটু নিরাপদ আশ্রয় হবেন?
ক্লান্ত বিকেলগুলো এনে রাখবো, একটু ছায়া হবেন?
অগোছালো স্বপ্নগুলো সাজিয়ে দেবো, একটু ধৈর্য হবেন?
চোখের কোণে জমে থাকা অকথিত জলটুকু দেখেও, নীরবে পাশে থাকবেন?
হেরে যাওয়া দিনগুলোর গল্প শোনাবো, একটু সাহস হবেন?
মুখে হাসি না থাকলেও, আমার নীরবতার ভাষা বুঝবেন?
ভুল করলে আঙুল তুলবেন না, একটু সংশোধনের শাসন হবেন?
আমার অনুপস্থিতিতেও আমার প্রতি বিশ্বাসটুকু অটুট রাখবেন?
প্রাপ্তির চেয়ে মানুষটাকেই বেশি ভালোবাসবেন?
সময় বদলে গেলেও, আপন থাকার প্রতিশ্রুতি দিবেন?
আপনি কি... সেই মানুষটি হবেন?

Sunday, June 21, 2026

তোমাকে...


তোমাকে পাওয়া হয়ে গেলে,

আমার  আর কোনো বড় স্বপ্ন থাকবে না।

আক্ষেপ থাকবে না, দীর্ঘশ্বাস থাকবে না 

আর থাকবে না— কোন আফসোস।

Friday, April 10, 2026

বিষণ্ণতার গল্পতায়...

 

দিনগুলো কাটছে বিষণ্ণতার ছায়ায়,

আকাশটাও যেন আমার মতো— মলিন,

রোদের আলো ফিকে,

হৃদয়ের কোণেও জমেছে একরাশ ধুলো।


বাতাসে নেই সেই চেনা উষ্ণতা,

চারপাশের শব্দগুলোও কেমন যেন বেমানান।

সবাই ব্যস্ত, ছুটে চলেছে,

শুধু আমি থমকে আছি একা।


কথা বলার মানুষ আছে,

তবু যেন কেউ বোঝে না কিছু...

হাসি মুখে লুকিয়ে রাখি ক্লান্তি,

ভিতরটা বড্ড একা লাগে।


কবে কাটবে এই বিষণ্ণতা?

কবে রোদ উঠবে মনজুড়ে?

জানি না…

তবু আশায় বেঁচে থাকি—

একদিন সব বিষণ্ণতা কেটে,

আমাকে চমকে দিয়ে, ফিরে আসবে সে।

শুনছো প্রিয়তা?

 


প্রজাপতি! কেমন আছো তুমি?


 কেমন আছো তুমি? খুউব জানতে ইচ্ছে করে।
ঝরা পাতার মতো কি হারিয়ে গেলে দূর অন্ধকারে?
নাকি 'রোদ্দুরে ভেজা' বিকেলের আকাশ-
রঙিন স্মৃতির মতো জেগে আছে তোমার ঘরে?


কেমন আছো তুমি? বাতাস কি বলে তোমায়?

রাতজাগা মেসেজগুলো কি আজও ভেসেওঠে চোখের সামনে?

নাকি নতুন কোনো সুরে, নতুন কোনো গল্পে

ভেসে চলেছো তুমি, একলা পথিকের মায়ায়?


কেমন আছো তুমি? খুউব জানতে ইচ্ছে করে।

তোমার হাসির আকাশ কি এখনো ঝলমলে রয়?

নাকি স্মৃতির সাগরে ভাসে ক্লান্ত কিছু ঢেউ,

আমি শুনতে চাই, শুধু তোমার কণ্ঠস্বরে...

Monday, August 18, 2025

বেঁচে আছি কিন্তু ভালো নেই

 

বেঁচে আছি—
কিন্তু ভালো নেই।
এখনও শ্বাসের খসখসে সুরে,
জীবনের ঢঙে অভিনয় করি,
ভিড়ের মধ্যে হেঁটে যাই নির্লিপ্ত পাথরের মতো।

বেঁচে আছি—
তবু ভেতরে মরে গেছে রঙের সব ক্যানভাস,
মেঘে ঢাকা সূর্যের মতো মুখ লুকিয়ে রেখেছি হাসি।

বেঁচে আছি—
কিন্তু ভালো নেই,
কারণ সুখের সংজ্ঞা কেমন করে লিখি;
যখন প্রতিটি শব্দ ঝরে পড়ে শুকনো পাতার মতো?

ভালো নেই—
কারণ বুকের ভেতর জমে থাকা প্রশ্নগুলোর
কোনো উত্তর আসে না রাতের পর রাত,
আসেনা আলো, আসে শুধু অস্থির অন্ধকার।

তবু কিরকমভাবে বেঁচে আছি?
মৃত্যুরও যেন সাহস হয় না ছুঁতে আমাকে,
আর জীবনেরও যেন নেই কোনো উষ্ণতা,
এই মধ্যবর্তী ঠাণ্ডা স্থবিরতায়—
আমি শুধু নামমাত্র বেঁচে আছি,
কিন্তু ভালো নেই।

Sunday, June 29, 2025

নিঃশব্দ অন্তর্ধান

 

কোনো একদিন নিঃশব্দে চলে যাবো,
চলে যাবো ঠিক সূর্যাস্তের শেষ রঙের মতো—
ধীরে ধীরে।
কোনো অভিযোগ না রেখে।
কোনো বিদায়ের শব্দ না তুলে।

সেদিন হয়তো বাতাস বইবে আগের মতোই,
নদীও হয়তো বয়ে যাবে তার নিজস্ব সুরে,
শুধু আমি এক চিলতে কুয়াশার মতো গলে যাবো;
কারো দৃষ্টির আড়ালে,
অপার্থিব শূন্যতার কোলে।

হৃদয়জুড়ে তুমি

 

শুনো চন্দ্রিমা, আমার সবটুকু ভালোবাসা সঞ্চিত করে রেখেছি— তোমাকে উপহার দেবো বলে। আমার সকল ভাবনা জুড়ে যেমন মিশে আছো, তেমনই মিশে থেকো আমার হৃদয়জুড়ে।

প্রেমপদ্য

স্যার!
আমি আপনার প্রেমে পড়েছি কিন্তু,
ছাত্রী হয়ে কখনো বলতে পারিনি আপনাকে।
আজ এতোটা পথে এসে নিরুপায় হয়েছি,
—যদি আমার মতো কেউ আপনার কাছে ছুটে আসে!

ক্লাসরুমের প্রতিটি মুহূর্তে,
আপনার উপস্থিতি এক অজানা আকর্ষণ,
যেন হৃদয়ের এক নিষিদ্ধ পাঠ।

বড্ড ভয় হয়,
যদি আপনি ভালো না বাসেন! 
কিংবা অবজ্ঞা ভরে ক্লাস থেকে তাড়িয়ে দেন!
যদি আমার মনের অনুভূতি,
আপনার কাছে শুধুই এক সাধারণ অধ্যায় হয়ে থাকে?
লজ্জা, ভয়, অদৃশ্য শিহরণ আর—
কাঁপা-কাঁপা কলমে আপনাকে লিখছি...
জানিনা, কপালে কী আছে!

স্যার!
আপনার কথা ও লেকচারগুলোর প্রেমেপড়েছি  বহুবার,
কিন্তু আপনাকে বোঝানোর সাহস পাইনি এখনো!
মনে হয়, এতে কোনো ভুল করছি না তো?
ছাত্রী হয়ে প্রেমের কবিতা লেখা,
নিয়মের খাতা ভেঙে হৃদয়ের গল্প বলা,
স্যার, এসবই কি অন্যায়?

প্রিয় অধ্যাপক!
সত্যিটা আজও বদলায়নি,
আমি আপনার প্রেমে পড়েছি…
একবার নয়, বারবার,
আপনার নরম হাসির প্রতিটি শব্দে,
আপনার চাহনির প্রতিটি ছন্দে।
আপনি কি কখনো বুঝবেন আমাকে?
নাকি এই প্রেম শুধু নিঃশব্দে—
ক্লাসের শেষ ঘণ্টার মতো বেজে যাবে...

-আপনার প্রথম বেঞ্চের ছাত্রী
তন্নী (একাদশ শ্রেণী)
নিউরন স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা।

(উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০)

Saturday, June 28, 2025

তোমাকে দেখার নেশা


তোমায় একটিবার দেখার ক্ষুধা-
আমাকে কোনভাবেই ঘুমোতে দিচ্ছে না। 
যেমন হয় অকাল অনাহারে কোন বৃদ্ধের...

তার অসহায় স্পর্শে—
ফাঁকা হাড়ি কেমন ঝনঝন শব্দে,
জানিয়ে দেয় তার দৈন্যতা। 
এ পথ- সে পথ ঘুরে-ঘুরে সমস্ত লোকালয়ে চেয়ে দেখেছি- 
তুমি নেই !

তোমাকে একটিবার দেখার উদ্ধত আকাঙ্খা-
বারবার আমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে-
সেই বৃদ্ধের চাঁদ ছোঁয়ার কল্পনা;
অথবা সেই কাতর বৃদ্ধের নিস্তেজ দেহটাকে,
দেয়াল ধরে বাঁচিয়ে রাখার মত ভরসা। 
আমিও শেষ নিঃশ্বাস অব্দি হেঁটেছি, 
হেঁটেছি তোমার প্রস্থানের সেই পথ ধরে। 

সব শেষে সেই বৃদ্ধের শুকনো ঠোঁটের মত আমার ক্লান্ত চোখ-
শেষবার দেখেছে গুমোট সেই আকাশ ! 
তবুও তোমাকে দেখেতে পারে নি। 
তোমাকে দেখার নেশা প্রতিটি মুহুর্তেই—
রাসেল ভাইপারের মতো দংশিত করে চলেছে...

—উত্তরা, ঢাকা।

বিশ্বাসের বিনিময়ে

 

—একটি অসম প্রতিশ্রুতির কবিতা


তুমি বলেছিলে— "একদিন আমার ফটো দেবো",
সেদিন আমায় প্রাণভরে দেখো।
আমি গিয়েছিলাম সে 'একদিন'-এর পথে
ছবি নয়, বিশ্বাস তুলে ধরেছিলাম,
মনটা দিয়েছিলাম কাঁচের চিঠির মতো। 
তুমি আমাকে দেখতে চাইলে—
তিনটে ফটো, চারটে হাসি,
আর অগোচরে একরাশ ভালোবাসা পাঠালাম...
পরিবর্তে—
একরত্তি নীরবতা পাঠালে। 
তুমি বলো— "আমি ছলনা করিনি!"
আমি ভাবি— ছলনা তো সে-ই করে,
যে নিরবতাকে ভাষা বানায়,
আর প্রতিশ্রুতিকে শুধুই বকুলফুলের গন্ধে ভাসায়। 
আমি নারীর ছলনা বুঝি না,
আমি সরলতায় বিশ্বাস রাখি,
তাই হেরে যাই প্রতিবার…
বিশ্বাসের বিনিময়ে কষ্ট কিনে আনি। 
ভালো থেকো— এই কথাটুকু দিয়েই
আমার শেষ ফ্রেমটা আঁকি।
তুমি যেদিন আসবে— আমি থাকবো না,
শুধু পড়ে থাকবে—
একটা অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির গল্প…
আর তার পাশে আমার একটা ছবি।


-টিএসসি, ঢাবি ক্যাম্পাস


Wednesday, April 2, 2025

কবিতা কীভাবে লিখে?

 


আমি এক কবিকে জিজ্ঞেস করলাম,

"কবিতা কীভাবে লিখে? কোথা থেকে আসে তা?"

কবি ইশারা করে দেখালেন,

ঐ যে রাস্তায় ছেঁড়া কাপড় পরা লোকটা,

সে-ই একটি কবিতা।


আমি আবারও জিজ্ঞেস করলাম,

"কবিতার অন্তঃমিল কীভাবে আসে?"

কবি আবারও হাতের ইশারা করলেন,

ঐ যে প্ল্যাটফর্মে এক ক্ষুধার্ত শিশু কাঁদছে,

তারই সুর পঙক্তির অন্তঃমিল।


আমি বিস্ময়ে চেয়ে রইলাম,

বুঝতে পারলাম—

কবিতা কাগজে নয়,

জীবনের বুকের গভীর ক্ষতেই জন্ম নেয়।

ভুল ভেবো না

 


ভুল ভেবো না—

আমি রাগী নই, তবে নরমও নই।
আমি যেমন পাই, তেমনই ফিরিয়ে দিই,
কারও চোখের জল, কারও হাসির রং।

আমি মিথ্যে বলি না, সত্যও চাপাই না,
শুধু আয়নার মতো প্রতিফলিত করি—
যে যেভাবে দেখে, সেভাবেই দেখি,
যে যেমন ভাবে, তেমনই থাকি।

আমি হিসেবি নই, তবে হিসেব রাখি,
ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাই দিই,
প্রবঞ্চনা পেলে নীরবে সরে যাই,
কারণ আমি প্রতিশোধ নিতে জানি না,
শুধু ফাঁকা জায়গা পূরণ করি না।

ভুল ভেবো না—
আমি রাগী নই, কিন্তু সব কিছুই মনে রাখি।
আমি প্রতিশোধ নেই না, কিন্তু দূরে সরে যাই।
আমি কাঁদি না, কিন্তু অনুভূতিগুলো কথা বলে।

আমি মিথ্যে বলি না,
শুধু কিছু সত্য চেপে রাখি,
যাতে কেউ আঘাত না পায়,
যাতে আমি নিজেও না ভেঙে পড়ি।

আমি খুব হিসেবি,
ভালোবাসা দিলে হৃদয় খুলে দিই,
অবহেলা পেলে নিঃশব্দে হারিয়ে যাই।
আমি যেমন পাই, তেমনই ফিরিয়ে দিই,
তফাৎ শুধু একটাই— আমি অভিনয় করতে পারি না!

▪️সৈয়দপুর



Monday, March 3, 2025

দুঃখেরা লুকিয়ে থাকে


যেদিন হাসতে শিখেছি,
দুঃখগুলো আড়াল করেছি।
অশ্রুর ভাষা লুকিয়ে রেখে,
আলোর পথে চলতে শপথ নিয়েছি।

ঝড়ের রাতও থেমে যায় একদিন,
আকাশ ফোটায় নীল রঙের বিন্দু।
আমি ভেবেছি, আঁধার যতই থাকুক,
ভোর আসবেই, দেবে নতুন যন্ত্রণা নিঃশব্দ সিন্ধু।

বেদনার গল্প আজও গোপন,
তবুও হাসি দিয়ে সাজাই মন।
কারো চোখে যেন না পড়ে দুঃখ,
তাইতো শিখেছি আনন্দের জড়ানো গঠন।

যেদিন হাসতে শিখেছি,
দুঃখগুলো আড়াল করেছি।
জীবনের পথে এগিয়ে চলেছি,
নতুন সূর্য, নতুন আশায় পথ গড়েছি।

-সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।

জনপ্রিয় আর্টিকেলগুলো দেখুন....

নব্বই দশকের মতো ভালোবাসা

  তোমাকে নিয়ে ছোট্ট একটা হালাল সংসার সাজানোর স্বপ্ন-  বহুদিন ধরে বুকের ভেতর লুকিয়ে রেখেছি। একদম সেই নব্বই দশকের গল্পের মতো। যেখানে ভালোবাসা ...