Tuesday, July 14, 2026
নব্বই দশকের মতো ভালোবাসা
Thursday, July 2, 2026
একজন ভালো মানুষ হবেন?
Sunday, June 21, 2026
তোমাকে...
তোমাকে পাওয়া হয়ে গেলে,
আমার আর কোনো বড় স্বপ্ন থাকবে না।
আক্ষেপ থাকবে না, দীর্ঘশ্বাস থাকবে না
আর থাকবে না— কোন আফসোস।
Friday, April 10, 2026
বিষণ্ণতার গল্পতায়...
দিনগুলো কাটছে বিষণ্ণতার ছায়ায়,
আকাশটাও যেন আমার মতো— মলিন,
রোদের আলো ফিকে,
হৃদয়ের কোণেও জমেছে একরাশ ধুলো।
বাতাসে নেই সেই চেনা উষ্ণতা,
চারপাশের শব্দগুলোও কেমন যেন বেমানান।
সবাই ব্যস্ত, ছুটে চলেছে,
শুধু আমি থমকে আছি একা।
কথা বলার মানুষ আছে,
তবু যেন কেউ বোঝে না কিছু...
হাসি মুখে লুকিয়ে রাখি ক্লান্তি,
ভিতরটা বড্ড একা লাগে।
কবে কাটবে এই বিষণ্ণতা?
কবে রোদ উঠবে মনজুড়ে?
জানি না…
তবু আশায় বেঁচে থাকি—
একদিন সব বিষণ্ণতা কেটে,
আমাকে চমকে দিয়ে, ফিরে আসবে সে।
প্রজাপতি! কেমন আছো তুমি?
কেমন আছো তুমি? বাতাস কি বলে তোমায়?
রাতজাগা মেসেজগুলো কি আজও ভেসেওঠে চোখের সামনে?
নাকি নতুন কোনো সুরে, নতুন কোনো গল্পে
ভেসে চলেছো তুমি, একলা পথিকের মায়ায়?
কেমন আছো তুমি? খুউব জানতে ইচ্ছে করে।
তোমার হাসির আকাশ কি এখনো ঝলমলে রয়?
নাকি স্মৃতির সাগরে ভাসে ক্লান্ত কিছু ঢেউ,
আমি শুনতে চাই, শুধু তোমার কণ্ঠস্বরে...
Monday, August 18, 2025
বেঁচে আছি কিন্তু ভালো নেই
এখনও শ্বাসের খসখসে সুরে,
জীবনের ঢঙে অভিনয় করি,
ভিড়ের মধ্যে হেঁটে যাই নির্লিপ্ত পাথরের মতো।
বেঁচে আছি—
তবু ভেতরে মরে গেছে রঙের সব ক্যানভাস,
মেঘে ঢাকা সূর্যের মতো মুখ লুকিয়ে রেখেছি হাসি।
বেঁচে আছি—
কিন্তু ভালো নেই,
কারণ সুখের সংজ্ঞা কেমন করে লিখি;
যখন প্রতিটি শব্দ ঝরে পড়ে শুকনো পাতার মতো?
ভালো নেই—
কারণ বুকের ভেতর জমে থাকা প্রশ্নগুলোর
কোনো উত্তর আসে না রাতের পর রাত,
আসেনা আলো, আসে শুধু অস্থির অন্ধকার।
তবু কিরকমভাবে বেঁচে আছি?
মৃত্যুরও যেন সাহস হয় না ছুঁতে আমাকে,
আর জীবনেরও যেন নেই কোনো উষ্ণতা,
এই মধ্যবর্তী ঠাণ্ডা স্থবিরতায়—
আমি শুধু নামমাত্র বেঁচে আছি,
কিন্তু ভালো নেই।
Sunday, June 29, 2025
নিঃশব্দ অন্তর্ধান
চলে যাবো ঠিক সূর্যাস্তের শেষ রঙের মতো—
ধীরে ধীরে।
কোনো অভিযোগ না রেখে।
কোনো বিদায়ের শব্দ না তুলে।
সেদিন হয়তো বাতাস বইবে আগের মতোই,
নদীও হয়তো বয়ে যাবে তার নিজস্ব সুরে,
শুধু আমি এক চিলতে কুয়াশার মতো গলে যাবো;
কারো দৃষ্টির আড়ালে,
অপার্থিব শূন্যতার কোলে।
হৃদয়জুড়ে তুমি
প্রেমপদ্য
আমি আপনার প্রেমে পড়েছি কিন্তু,
ছাত্রী হয়ে কখনো বলতে পারিনি আপনাকে।
আজ এতোটা পথে এসে নিরুপায় হয়েছি,
—যদি আমার মতো কেউ আপনার কাছে ছুটে আসে!
আপনার উপস্থিতি এক অজানা আকর্ষণ,
যেন হৃদয়ের এক নিষিদ্ধ পাঠ।
বড্ড ভয় হয়,
যদি আপনি ভালো না বাসেন!
আপনার কাছে শুধুই এক সাধারণ অধ্যায় হয়ে থাকে?
আপনার কথা ও লেকচারগুলোর প্রেমেপড়েছি বহুবার,
কিন্তু আপনাকে বোঝানোর সাহস পাইনি এখনো!
মনে হয়, এতে কোনো ভুল করছি না তো?
ছাত্রী হয়ে প্রেমের কবিতা লেখা,
নিয়মের খাতা ভেঙে হৃদয়ের গল্প বলা,
স্যার, এসবই কি অন্যায়?
প্রিয় অধ্যাপক!
সত্যিটা আজও বদলায়নি,
আমি আপনার প্রেমে পড়েছি…
একবার নয়, বারবার,
আপনার নরম হাসির প্রতিটি শব্দে,
আপনার চাহনির প্রতিটি ছন্দে।
আপনি কি কখনো বুঝবেন আমাকে?
নাকি এই প্রেম শুধু নিঃশব্দে—
ক্লাসের শেষ ঘণ্টার মতো বেজে যাবে...
Saturday, June 28, 2025
তোমাকে দেখার নেশা
যেমন হয় অকাল অনাহারে কোন বৃদ্ধের...
ফাঁকা হাড়ি কেমন ঝনঝন শব্দে,
এ পথ- সে পথ ঘুরে-ঘুরে সমস্ত লোকালয়ে চেয়ে দেখেছি-
তুমি নেই !
তোমাকে একটিবার দেখার উদ্ধত আকাঙ্খা-
বারবার আমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে-
অথবা সেই কাতর বৃদ্ধের নিস্তেজ দেহটাকে,
দেয়াল ধরে বাঁচিয়ে রাখার মত ভরসা।
হেঁটেছি তোমার প্রস্থানের সেই পথ ধরে।
সব শেষে সেই বৃদ্ধের শুকনো ঠোঁটের মত আমার ক্লান্ত চোখ-
শেষবার দেখেছে গুমোট সেই আকাশ !
তবুও তোমাকে দেখেতে পারে নি।
তোমাকে দেখার নেশা প্রতিটি মুহুর্তেই—
রাসেল ভাইপারের মতো দংশিত করে চলেছে...
বিশ্বাসের বিনিময়ে
—একটি অসম প্রতিশ্রুতির কবিতা
তুমি বলেছিলে— "একদিন আমার ফটো দেবো",
সেদিন আমায় প্রাণভরে দেখো।
আমি গিয়েছিলাম সে 'একদিন'-এর পথে
ছবি নয়, বিশ্বাস তুলে ধরেছিলাম,
মনটা দিয়েছিলাম কাঁচের চিঠির মতো।
তুমি আমাকে দেখতে চাইলে—
তিনটে ফটো, চারটে হাসি,
আর অগোচরে একরাশ ভালোবাসা পাঠালাম...
পরিবর্তে—
একরত্তি নীরবতা পাঠালে।
তুমি বলো— "আমি ছলনা করিনি!"
আমি ভাবি— ছলনা তো সে-ই করে,
যে নিরবতাকে ভাষা বানায়,
আর প্রতিশ্রুতিকে শুধুই বকুলফুলের গন্ধে ভাসায়।
আমি নারীর ছলনা বুঝি না,
আমি সরলতায় বিশ্বাস রাখি,
তাই হেরে যাই প্রতিবার…
বিশ্বাসের বিনিময়ে কষ্ট কিনে আনি।
ভালো থেকো— এই কথাটুকু দিয়েই
আমার শেষ ফ্রেমটা আঁকি।
তুমি যেদিন আসবে— আমি থাকবো না,
শুধু পড়ে থাকবে—
একটা অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির গল্প…
আর তার পাশে আমার একটা ছবি।
-টিএসসি, ঢাবি ক্যাম্পাস
Wednesday, April 2, 2025
কবিতা কীভাবে লিখে?
আমি এক কবিকে জিজ্ঞেস করলাম,
"কবিতা কীভাবে লিখে? কোথা থেকে আসে তা?"
কবি ইশারা করে দেখালেন,
ঐ যে রাস্তায় ছেঁড়া কাপড় পরা লোকটা,
সে-ই একটি কবিতা।
আমি আবারও জিজ্ঞেস করলাম,
"কবিতার অন্তঃমিল কীভাবে আসে?"
কবি আবারও হাতের ইশারা করলেন,
ঐ যে প্ল্যাটফর্মে এক ক্ষুধার্ত শিশু কাঁদছে,
তারই সুর পঙক্তির অন্তঃমিল।
আমি বিস্ময়ে চেয়ে রইলাম,
বুঝতে পারলাম—
কবিতা কাগজে নয়,
জীবনের বুকের গভীর ক্ষতেই জন্ম নেয়।
ভুল ভেবো না
ভুল ভেবো না—
আমি যেমন পাই, তেমনই ফিরিয়ে দিই,
কারও চোখের জল, কারও হাসির রং।
আমি মিথ্যে বলি না, সত্যও চাপাই না,
শুধু আয়নার মতো প্রতিফলিত করি—
যে যেভাবে দেখে, সেভাবেই দেখি,
যে যেমন ভাবে, তেমনই থাকি।
আমি হিসেবি নই, তবে হিসেব রাখি,
ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাই দিই,
প্রবঞ্চনা পেলে নীরবে সরে যাই,
কারণ আমি প্রতিশোধ নিতে জানি না,
শুধু ফাঁকা জায়গা পূরণ করি না।
ভুল ভেবো না—
আমি রাগী নই, কিন্তু সব কিছুই মনে রাখি।
আমি প্রতিশোধ নেই না, কিন্তু দূরে সরে যাই।
আমি কাঁদি না, কিন্তু অনুভূতিগুলো কথা বলে।
আমি মিথ্যে বলি না,
শুধু কিছু সত্য চেপে রাখি,
যাতে কেউ আঘাত না পায়,
যাতে আমি নিজেও না ভেঙে পড়ি।
আমি খুব হিসেবি,
ভালোবাসা দিলে হৃদয় খুলে দিই,
অবহেলা পেলে নিঃশব্দে হারিয়ে যাই।
আমি যেমন পাই, তেমনই ফিরিয়ে দিই,
তফাৎ শুধু একটাই— আমি অভিনয় করতে পারি না!
▪️সৈয়দপুর
Monday, March 3, 2025
দুঃখেরা লুকিয়ে থাকে
জনপ্রিয় আর্টিকেলগুলো দেখুন....
নব্বই দশকের মতো ভালোবাসা
তোমাকে নিয়ে ছোট্ট একটা হালাল সংসার সাজানোর স্বপ্ন- বহুদিন ধরে বুকের ভেতর লুকিয়ে রেখেছি। একদম সেই নব্বই দশকের গল্পের মতো। যেখানে ভালোবাসা ...













